মুন্সীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর পরে মারা গেলেন মা, শাশুড়ির অবস্থা আশঙ্কাজনক
নিজস্ব প্রতিনিধি – মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার নাহাপারা এলাকা হতে দুবাই প্রবাসী লিটনকে বিমানবন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাস উল্টে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজনে দাঁড়িয়েছে।
সবশেষ মঙ্গলবার রাতে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিটনের মা আলেয়া বেগম (৬০) মারা গেছেন। এর আগে একই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান লিটনের স্ত্রী মমতাজ বেগম। এদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন লিটনের চাচি শাশুড়ি ফরিদা বেগম।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় বজ্রযোগিনী ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন ইমরান।
তিনি বলেন লিটনের মা আলেয়া বেগম রাতে মৃত্যুবরণ করেছেন তার চাচী শাশুড়ি ফরিদা বেগমের অবস্থা ও ভালো না। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সে ঢাকায় মেডিকেলে ভর্তি রয়েছে।
প্রবাসী লিটন বলেন গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টায় আমার দুবাই ফিরে যাওয়ার ফ্লাইট ছিলো। বেলা সাড়ে ১১ টার পর আমি দুই সন্তান, স্ত্রী, বোনসহ পরিবারের ৮ জনকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে রওনা হই। ড্রাইভারসহ আমরা ছিলাম ১০ জন। দ্রুতগতিতে আমাদের মাইক্রোবাসটি চলছিলো। দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে সিরাজদিখানের বউবাজার এলাকায় আরেকটি মাইক্রোবাসকে সাইড দিতে গিয়ে উল্টে পাশের খালে পড়ে যাই আমরা। স্থানীয়রা গাড়ি থেকে আমাদের বের করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে আমার স্ত্রী মারা যান। পরে রাতে তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনার সময় আমার মা ও বোনসহ চাচি শাশুড়ি গুরুতর আহত হন। তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়। রাতে স্ত্রী’র জানাজা দাফন না করতেই মায়ের মৃত্যুর খবর আসে।
নিহত মমতাজ বেগমের বাড়ি সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী ইউনিয়নের নাহাপাড়া গ্রামে ও আলেয়া বেগমের বাড়ি মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বেহেরপাড়া গ্রামে।
Leave a Reply