সিরাজদিখানে জমি কেনার পরও মিস কেস দিয়ে হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মলেন
সিরাজদিখান প্রতিনিধি ঃ
মুন্সীগঞ্জরে সিরাজদিখানে জমি ক্রয় ও মালকিানা নিয়ে বিরোধরে জেরে ভূমি অফিসে মিস কেস দায়ের করে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মলেন করছেনে জিতেন রায়ের নামে এক ব্যক্তি। আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে ৫টায় উপজেলার কেয়াইইন ইউননিয়নেরে লক্ষ্মীবলিাস গ্রামে নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মলেনরে আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মলেনে লিখিত বক্তব্যে জিতেন রায় দাবি করনে, তিনি তার বড় ভাই গণশে রায়েরে কাছ থেেক ১৪ লাখ টাকার বিনিময়ে সাড়ে ২৩ শতাংশ জমি সাব-কবলা রেজিস্ট্রি করে দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করনে। নিয়ম অনুযায়ী জমি রজেস্ট্রিও সম্পন্ন করা হয়েেেছ বলে দাবি করনে তিনি। জমি ক্রয়েরে সময় গণশে রায়েরে ছেেল বিনায়ক ও মঠিু সাক্ষী ছিলেন বলওে জানান তিনি।
জিতেন রায়ের অভিযোগ, তার ভাতিজা স্বপন রায় তার ক্রয় করা জমির কয়েকটি দলিলের সাক্ষী ছলিনে। কন্তিু পরর্বতীতে বিভিন্নœ কারণে বিরোধের জেের স্বপন রায় অন্যরে প্ররোচনায় তার ক্রয় করা জমির দাগ নম্বর উল্লেখ করে সিরাজদিখান ভূমি অফিসে মিস কেস দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় তাকে নানাভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রর্দশন করা হচ্ছে বলওে অভিযোগ করনে তিনি।
লিখিত বক্তব্যে জিতেন রায় আরও অভিযোগ করনে, এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য অমল রায় এবং অভিত নামরে এক দলিল লেখক ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী সহযোগতিা করছনে। তবে এসব সহযোগীতার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তদিরে বক্তব্য পাওয়া যায়নি
সংবাদ সম্মলেনে জিতেন রায় বলনে, আমি আমার বড় ভাইয়েরে কাছ থেেক ১৪ লাখ টাকা দিয়ে সাড়ে ২৩ শতাংশ জমি কিনেছি। আইন অনুযায়ী সাব-কবলা দললিরে মাধ্যমে জমি রেজেস্ট্িির করেছি। জমি কেনার সময় পরিবারের সদস্যরাও সাক্ষী ছলিনে। অথচ এখন আমার দলিলের সাক্ষী থাকা ব্যক্তইি আমার ক্রয় করা জমি নিয়ে ভূমি অফিসে মিস কেস করছেনে। এতে আমি হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমি চাই, জমরি দললি ও প্রয়োজনিয় কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা হোক এবং ন্যায়বচিার নিশ্চতি করা হোক।
তিনি আরও বলনে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনরে সহযোগিতা কামনা করছনে তিনি।
সংবাদ সম্মলেনে উপস্থিত ছিলেন,জিতেন রায়, রিতা রায়,পিয়াস রায়, পিংকি রায়,সাথীসহ অন্যরা উপস্থতি ছলিনে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বপন রায় বলেন, আমি দলিলে লিখিত স্বাক্ষী দিয়ে ছিলাম। কেয়াইন ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য অমল মন্ডল বলেন, এ বিষয়ে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। অভিযুক্ত অভিত মন্ডল বলেন, এ ব্যাপারে স্বপন রায়ের পক্ষে আমার কোন সহযোগীতা নেই। আমি কারোও পক্ষে নেই।
সিরাজদিখান উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) বলেন ,শিব্বির আহম্মেদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে করে দেখবো।
Leave a Reply